শিপিং গাইড· ২ মিনিটে পড়ুন
চীন থেকে বাংলাদেশ: Air না Sea শিপিং — কোনটা আপনার জন্য?
Air-এ পণ্য আসে দ্রুত, Sea-তে খরচ কম। কিন্তু কোন পণ্যে কোনটা বেছে নেবেন? সময়, ওজন আর পণ্যের ধরন মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সহজ নিয়ম।
চীন থেকে পণ্য আনার সময় সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তগুলোর একটি হলো — Air না Sea? দুটোরই সুবিধা আছে। ঠিকটা বেছে নিলে সময় আর টাকা দুটোই বাঁচে।
সময়: কোনটায় কতদিন লাগে
- Air (গুয়াংজু গুদাম): সাধারণত ৭–১৫ দিন।
- Air (হংকং গুদাম): সাধারণত ১৫–২৫ দিন।
- Sea: সাধারণত ৪৫–৬৫ দিন।
সময়গুলো চায়না গুদাম থেকে রওনা দেওয়ার পর থেকে ধরা। বিক্রেতা কত দ্রুত পণ্য পাঠায়, ছুটির মৌসুম বা কাস্টমসের কারণে কখনো কখনো একটু বেশি লাগতে পারে।
খরচ কীভাবে হিসাব হয়
দুই পদ্ধতিতেই শিপিং চার্জ ধরা হয় প্রতি কেজি হিসাবে, আর রেট নির্ভর করে পণ্যের ক্যাটাগরির ওপর (যেমন সাধারণ পণ্য, ব্যাটারিযুক্ত পণ্য, পোশাক/তরল ইত্যাদি)। একটি ন্যূনতম চার্জযোগ্য ওজনও থাকে। বর্তমান রেট আমাদের শিপিং রেট পেজে দেওয়া আছে।
সাধারণভাবে প্রতি কেজিতে Sea-র রেট Air-এর চেয়ে অনেক কম। তাই ভারী পণ্যে পার্থক্যটা বড় হয়ে দাঁড়ায়।
কখন Air বেছে নেবেন
- পণ্য হালকা কিন্তু দামি — যেমন জুয়েলারি, ঘড়ি, ফোন এক্সেসরিজ।
- দ্রুত দরকার — উৎসবের আগে বিক্রি, নমুনা পণ্য, বা গ্রাহক অপেক্ষা করছে।
- পরিমাণ অল্প, তাই মোট ওজনও কম।
কখন Sea বেছে নেবেন
- ভারী বা বড় পণ্য — আসবাব, মেশিনারি, ঘরের সরঞ্জাম, বেশি পরিমাণে পোশাক।
- দুই মাস অপেক্ষা করা যায় — যেমন পরের মৌসুমের স্টক।
- বেশি পরিমাণে কিনছেন এবং প্রতি পিসের খরচ কমানোই মূল লক্ষ্য।
একটি সহজ হিসাব পদ্ধতি
পণ্যের দাম ঠিক করার আগে প্রতি পিসের শিপিং খরচ বের করুন:
- রেট পেজ থেকে আপনার পণ্যের ক্যাটাগরির প্রতি কেজি রেট নিন।
- পণ্যের আনুমানিক ওজন দিয়ে গুণ করুন (প্যাকেটসহ)।
- যত পিস আনছেন তা দিয়ে ভাগ করুন।
Air ও Sea দুইভাবেই এই হিসাব করে দেখুন — অনেক সময় দেখা যায়, হালকা পণ্যে পার্থক্য সামান্য, কিন্তু ভারী পণ্যে Sea অনেক সাশ্রয়ী।
মনে রাখুন
- চূড়ান্ত শিপিং চার্জ ঠিক হয় চায়না গুদামে পণ্য ওজন করার পর।
- ব্যাটারি, তরল, চুম্বক বা পাউডারজাতীয় পণ্যের নিয়ম আলাদা — অর্ডারের আগে জেনে নিন।
- বড় চালানের জন্য কোটেশন পেজ থেকে আলাদা দাম চাইতে পারেন।
- #Air শিপিং
- #Sea শিপিং
- #কার্গো
- #চীন থেকে বাংলাদেশ
